ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও কলকাতার অভিনেত্রী ইধিকা পাল বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম আলোচিত জুটি। ‘প্রিয়তমা’ সিনামার মাধ্যমে তারা প্রথমবার বড় পর্দায় একসঙ্গে কাজ করেন। সেই সিনামার বাণিজ্যিক সাফল্য ও তাদের রসায়ন দর্শকমহলে দারুণ প্রশংসিত হয়। এবার জিতের নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে ইধিকাকে।
ঢালিউডের পাশাপাশি টালিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও আলোচনার কেন্দ্রে আছেন ইধিকা পাল। দেবের বিপরীতে একাধিক ছবিতে কাজ করে তিনি ইতোমধ্যে নজর কেড়েছেন। ছোট পর্দা থেকে এসে বড় পর্দায় নিজের অবস্থান তৈরি করা সহজ ছিল না, যা তিনি নিজগুণে অর্জন করেছেন।
দেবের পর এবার টালিউডের আরেক শীর্ষ তারকা জিতের সঙ্গেও তাকে দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের খবর অনুযায়ী, পরিচালক পথিকৃৎ বসুর আগামী ছবিতে জিতের বিপরীতে অভিনয় করতে পারেন ইধিকা। এসকে মুভিজের প্রযোজনায় ছবিটি তৈরির কথা থাকলেও এ বিষয়ে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অভিনেতা জিৎ কিংবা অভিনেত্রী ইধিকাও এ নিয়ে মুখ খোলেননি।

অন্যদিকে ২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে শাকিব-ইধিকা জুটির নতুন সিনেমার খবর সামনে আসে। পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়ের অ্যাকশন ড্রামা ঘরানার ‘নিঃস্ব’ ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে আবারও প্রধান নায়িকা হিসেবে থাকছেন ইধিকা পাল। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ছবিটির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে। এর আগে ইধিকা তার ফেসবুক পেজের কভার ছবি পাল্টে ‘প্রিয়তমা’র পোস্টার যুক্ত করলে ভক্তদের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়।
বর্তমানে ইধিকা পাল দুই বাংলার চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনের বাজারে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের দর্শকদের ভালোবাসা ও একের পর এক বড় প্রজেক্টে তার ধারাবাহিক উপস্থিতি তাকে বর্তমান সময়ের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সম্প্রতি সৃজিত মুখার্জির ‘কুইন ভিক্টোরিয়া’ এবং ‘গোয়েন্দা কাণাইচরণ’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন তিনি, যেখানে তার সঙ্গে যীশু সেনগুপ্তকে দেখা যাবে। নতুন এসব কাজের সুবাদে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এই অভিনেত্রী।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।